Showing posts with label Bengali Topic. Show all posts
Showing posts with label Bengali Topic. Show all posts

Friday, 20 July 2018

লিনাক্স নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন...



কেন লিনাক্স বিশ্বব্যাপী এত জনপ্রিয়, কারা এর ব্যবহারকারী !

বাংলাদেশে এখন পাইরেটেড উইন্ডোজের ছড়াছড়ি। লিনাক্স তো দূরের কথা কম্পিউটারের যে আরও কোনো অপারেটিং সিস্টেম থাকে তা হয়তো অনেকেরই অজানা। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে নতুনদের কাছে লিনাক্সের চেয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করাই অনেকসহজ মনে হয়। কিন্তু লিনাক্স ব্যবহারের পদ্ধতি একবার শিখতে পারলে পরবর্তীতে তা ব্যবহার করা একদমই সহজ হয়ে যায়। ব্যাক্তিগতভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর ব্যবহার বেশি হলেও বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কর্মক্ষেত্রে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমই বেশি ব্যবহৃত হয়। লিনাক্সের বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ থাকায় খুব দ্রুতই এর ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠেছে।



কি অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন কেন লিনাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়?
ব্যবসা ক্ষেত্রে লিনাক্স ব্যবহারের অন্যতম কারণ হলো এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক শক্তিশালী। লিনাক্সে কোনো ভাইরাস আক্রমণের ভয় নেই। আর এই অপারেটিং সিস্টেমটি খুব সহজেই নিজেদের যে কোনো কাজের জন্য মডিফাই করে নেয়া যায়।
এখন আসুন দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠান যারা সকলেই লিনাক্স ব্যবহার করছে:

গুগল: অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল তাদের সকল কাজকর্ম লিনাক্সের মাধ্যমেই পরিচালনা করে। গুগলের ইঞ্জিনিয়াররা লিনাক্সের একটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো কাস্টমাইজ করে গুবুন্টু হিসেবে ব্যবহার করছে। এভাবেই গুগলের সকল সেবাগুবুন্টুর মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।


 উইকিপিডিয়া: অনলাইনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এনসাইক্লোপিডিয়া (উইকিপিডিয়া) ২০০৮ সাল থেকে উবুন্টু ব্যবহার করে আসছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা লিনাক্সের আরেকটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো রেড হ্যাট ব্যবহার করে থাকে। তবে এডমিনিস্ট্রেশন এর অংশগুলোতে উবুন্টুই ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: লিনাক্স ডট কম-এ প্রদত্ত তথ্য অনুসারে ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেই সবচেয়ে ব্যাপক আকারে রেড হ্যাট লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। লিনাক্স যেভাবে খুশি চালানো যায় বলেই বিশাল ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেত্রটি সুচারুরূপে পরিচালিত হচ্ছে। এর কোনো একটি ছোট ত্রুটিও অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 ইউএসএ নেভি ও সাবমেরিন: FreeSoftwareMagazine.com এর তথ্যানুসারে ইউএসএ নেভি এবং নিউক্লিয়ার সাবমেরিনেও লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

 স্পেন: লিনাক্সের সবচেয়ে বড় সাপোর্টার দেশ হিসেবে স্পেন বহুল পরিচিত। স্পেনে ২০০২ সাল থেকে সকলের কাছে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার জন্য স্পেন সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। স্পেনের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া জনগনের মাঝে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ হিসেবে, সকল সরকারি কর্মচারিদের লিনাক্স সিডি প্রদানের পাশাপাশি ম্যাগাজিন, এমনকি খবরের কাগজের সাথেও লিনাক্সের সিডি দেওয়া হতো। আর সে কারণেই স্পেনে লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

  ফ্রান্স সংসদ: ফ্রান্সের বিশাল সংসদ ভবনের সকল কম্পিউটারেই ২০০৬ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা সকলকে ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে যাচ্ছে। এসব কম্পিউটারে বেশিরভাগ সফটওয়্যারই ওপেনসোর্স। ওয়েব ব্রাউজার হিসেবেও তারা ওপেনসোর্স ফায়ারফক্সকেই বেছে নিয়েছে। এছাড়া তারা ই-মেইলের জন্য ওপেনসোর্স ই-মেইল ক্লায়েন্টও ব্যবহার করছে।


চিনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কমার্শিয়াল ব্যাংক: চীনের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকে ২০০৫ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহার করা শুরু হয় এবং ২০০৮ সালের আগেই তারা প্রতিটি ব্রাঞ্চেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে।
 বড় বড় স্কুল কলেজ: রাশিয়ায় ২০০৭ সালে ঘোষনা দেয়া হয় যে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স চালানো বাধ্যতামূলক। কারণ বাংলাদেশের মতোই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবগুলোতেই পাইরেটেড উইন্ডোজ চালানো হতো। এরপর ধীরে ধীরে সকলশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু হয়। জার্মানির সকল ইউনিভার্সিটি গুলোকে ২০০৭ সালেই লিনাক্সের আওতায় আনা হয়। সুইজারল্যান্ডে আরও আগে ২০০৫ সাল থেকেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এর অধিকাংশ প্রদেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাকিস্থানেও একই অবস্থা। সারা বিশ্বব্যাপি পরিচালিত ‘একজন শিশুর জন্য একটি ল্যাপটপ’ প্রোগ্রামটিতেও লিনাক্স ব্যবহার করা হয়েছে।

এমাজন: ইন্টারনেটে বইপত্র ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বিক্রয়ের বড় প্লাটফর্ম এমাজন ডট কম ২০০১ সালের পর থেকে লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে। শুধুমাত্র ২০০৪ সালে লিনাক্সের কারণে এই কোম্পানির ১৭ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়। বর্তমানে এমাজন.কমের সকল কম্পিউটারেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

প্যানাসনিক: ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যর বাজারে জনপ্রিয় প্যানাসনিক কোম্পানিও তাদের কাজের জন্য লিনাক্স ব্যবহার করে। লিনাক্স ব্যবহারের পূর্বে কোম্পানিটিতে উইন্ডোজ ব্যবহার করা হতো। তবে উইন্ডোজকে যে কোনো কাজের জন্য কাস্টমাইজ করা যায় না বলে, সেই উইন্ডোজের জন্যই এই কোম্পানিকে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এরপর তারা লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী লিনাক্সের একটি কাস্টমাইজ সংস্করন তৈরি করে তা আজও সফলতার সাথে ব্যবহার করে আসছে।

উপরে শুধুমাত্র কয়েকটি জনপ্রিয় ও বড় সেক্টরে লিনাক্সের ব্যবহারের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। এরকম আরও অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে যেগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি ছোট ছোট কর্মক্ষেত্রগুলো তো থাকছেই। বাংলাদেশেও অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান সহ ছোট প্রতিষ্ঠান গুলোতেও লিনাক্সের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তাই বাংলাদেশে রয়েছে দক্ষ লিনাক্স অপারেটরদের জন্য অফুরন্ত কাজের সূযোগ। এছাড়া অন্য কাজের পাশাপাশি লিনাক্স শেখার মাধ্যমেও নিজের কাজের পরিধিটাকে বৃদ্ধি করা যায়।

পরে আবার দেখা হবে অন্য এক টিউন এ ।


#Happy Blogging😊😋

জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা





হঠাৎ করে যেনো সারাবিশ্ব জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এবং রীতিমত ঝড় তোলেন একজন ব্যক্তি।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিকট ভিলেন হিসেবে গণ্য হলেও সবার নিকট পরিচিতি পেলেন
হিরো বা নায়ক হিসেবে। বিশ্ব মাড়ল বলে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি
চিন্তিত হয়ে পড়েন সেই ব্যক্তিকে নিয়ে। কিন্তু তিনিই বা কে? কি বা তার
পরিচয়। আসুন এবার জেনে নিই তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জনপ্রিয় উইকিলিকস
ওয়েবসাইট এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এর বিষয়ে:

নাম: জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্
জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৭১ সাল।
জন্মস্থান: টাউনসভিলে, কুইনসল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।
জাতীয়তা: অস্ট্রেলিয়ান।
পেশা: উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক।



শিক্ষাজীবন: 
তিনি মূলত: গণিত এবং পদার্থবিদ্যায় পড়াশুনা করেন। পাশাপাশি
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ দক্ষ হয়ে ওঠেন। তার প্রধান আগ্রহ ছিল হ্যাকিং
নিয়ে। ১৩ বছর বয়সে তিনি মায়ের কাছ থেকে উপহার পেলেন তার জীবনের প্রথম
কম্পিউটার। একসময় শুরু করেন কম্পিউটার হ্যাকিং। রীতিমত দক্ষ হয়ে যান
হ্যাকার হিসিবে এবং ২০০৬ সালে তিনি সেরা হ্যাকার হিসেবে পরিচিতিও পান।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিজস্ব পদ্ধতিতেই চিন্তা-ভাবনা করতেন। আর সে অনুযায়ী
তার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তিনি তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন।
কাউকে ভয় পেতেন না। এমনকি সব রাষ্ট্র এবং সবাই যাকে (যুক্তরাষ্ট্র) সমীহ
করে চলে সেই রাষ্ট্রকে তিনি মোটেও ভয় পেলেন না। মুক্ত স্বাধীনতায় এগিয়ে
নিয়ে গেলেন উইকিলিকস কে।


উইকিলিকস:
জনসম্মুখে গোপন তথ্য প্রকাশের পরিকল্পনায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৬ সালে
প্রতিষ্ঠা করেন উইকিলিকস। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এতে উপদেষ্টা
বোর্ডে রয়েছে নয় জন সদস্য এবং একজন মিডিয়া মুখপাত্র কাজ করছেন। এতে
অ্যাসাঞ্জ নিজেকে বর্ণনা করছেন প্রধান সম্পাদক হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আমি
নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ভাবি না’। তিনি উইকিলিকস এ একজন
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছিলেন। অ্যাসাঞ্জ নিজেকে উপস্থাপন করছেন একজন
সাংবাদিক হিসেবে। তিনি মনে করেন, তথ্যের স্বচ্ছতায় বরং দূর্নীতি কমে আসে।
উইকিলিকস এর নিয়ম মোতাবেক, গোপন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে উইকিলিকস কোনো
সূত্র উল্লেখ করে না।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ডোমেইন নেইম প্রোভাইডার EveryDNS.net ৩ ডিসেম্বর
উইকিলিকস এর ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। উল্লেখ্য, পর পর মার্কিন গোপন তথ্য
ফাঁস করে দেওয়ার মাধ্যমে উইকিলিকস আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। সেই
সঙ্গে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল উইকিলিকের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান
অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতারে রেড এলার্ট জারি করে। তবে পরবর্তী সময়ে উইকিলিকস
আবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক নতুন একটি ডোমেইনের নাম wikileaks.ch ঠিকানায়
সচল হয়। ৭ ডিসেম্বর প্রচন্ড চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ফাঁসের দায়ে
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে গ্রেফতার করা হয় উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা ও
সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে।


প্রাপ্ত পুরষ্কার:
১. জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৮ সালে ইকোনমিস্ট ইনডেক্স অন সেন্সরশীপ অ্যাওয়ার্ড এ জয়ী হন।
২. তিনি ২০০৯ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড  লাভ করেন।
৩. ২০১০ সালে স্যাম অ্যাডামস অ্যাওয়ার্ড পান।


#Happy Blogging😑😒

জেনে নিন বিখ্যাতদের উক্তি .....


  এ পি জে আবুল কালাম
   স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ গুমিয়ে গুমিয়ে দেখেস্বপ্ন সেটা যেটা মানুষক গুমাতে দেয় না ।


  ডেল কানেগি
  সাফল্য হল আপনি যা চান তা হাসিল করা। সুখ হল আপনি যা চান তা
  পাওয়া ।


  বিল গেট্‌স
 গরিব হয়ে জন্ম গ্রহন করা কোন দোষ নয় কিন্তু গরিব হয়ে মৃত্যু বরন করা দোষ।


  অ্যালবাট আইনস্তাইন
 মহৎ ব্যক্তিরা সর্বদাই সংকীণ ব্যক্তিতের অধিকারী মানুষদের নিকট থেকে ভয়ানক বাধার 
সম্মুখীন  হয় ।


  অ্যারিস্টট্ল
  আমারা ঠিক তাই ,যা আমারা বারবার করি ।আথাৎ উৎকষতা কোন দৈব-ঘটনা নয়,বরং তা একটি        অভ্যাসমাএ ।


  মার্ক টোয়েইন
  যখন সমগ্র পৃথিবী তোমার বিপক্ষে চলে যায়,তখন তুমি ঘুরে
  দাড়াও এবং পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করো ।






#Happy Blogging😐😏